হাসান তানভীর এর MOTO-TRAVEL ব্লগ

Its better to travel well, then to arrive – Buddha

কুয়াকাটা ট্যুর – Kuakata Tour (২য় পর্ব)

১ম পর্ব – এখানে

 

খুলনা প্রিয় রূপসা ব্রিজ পৌঁছে ডাব খেলাম। ভিকির কাজিন এলো।

আমরা টায়ার প্রেশার চেক করলাম –  গ্যারেজে গেলাম টুকটাক কাজের জন্য।

এরপর বাসায় গেলাম।  রাতে খেয়ে দেয়ে ঘুম। খুলনার খাওয়া অনেক টাটকা – সবকিছু ফরমালিন মুক্ত। সম্ভবত তাই খাবারের স্বাদ অসাধারন লেগেছিলো। বিশেষ করে গরুর ভুনা। পরে মিস্টান্ন চলল।

 

২৭ মার্চ

ভোর ৪ঃ৩০ আমরা উঠে গেলাম। ১৫ মিনিটের ভেতর রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দেশ্য।

খালি রাস্তায় অন্ধাকারে চালানো অন্য রকম লাগছিলো।

নামাজের জন ব্রেক দিয়ে – চা খেয়ে নিলাম। এরপর আবার টান।

চলে গেলাম ফেরি ঘাট। দেরি হয়নি। উঠে পড়লাম বাইক নিয়ে। ওয়েদার মেঘলা ছিলো। একটু ব্রিস্টিও হল।

ফেরি পার হয়ে – ভিকি চলে গেলো ঢাকায়। অফিস করতে হবে। আমি যাত্রা বাড়ী ফ্লাই ওভার পার হয়ে রওনা দিলাম চট্টগ্রাম এর উদ্দেশ্য।

ঢাকা – চিটাগং হাইওয়ে – দারুন লাগছিলো। তার ওপর মেঘলা ওয়েদার। আর কি লাগে।

কুমিল্লা পৌঁছে রোহিত ভাইকে ফোন দিলাম। তখন ৫ টা হবে। তিনি বললেন ওনার অফিস চলে যেতে। ঠিকানা দিয়ে দিলেন। আরে গ্রামের ভেতর দিয়ে ১০ কিমি পথ যে এত দারুন হবে কে জানতো। খুব এঞ্জয় করলাম। মাঝখানে মাগ্রিব নামাজ পড়ে নিলাম।

অফিসের নিচে গিয়ে ফোন দিলেন তিনি নিচে এলেন। রঙ চা – আর কিছুক্ষন আড্ডা হল।

এরপর ২ জন বের হলাম। শেষবার ওনার সাথে ট্যুর হয়েছিলো বগা লেকের। (এখানে পড়ুন সেই ট্যুর এর কাহিনী) ওনার প্রস্তাবেই বগা লেকে যাই। নাহলে আমার মনে হয় চিন্তায় ও আসতো না বগা লেক যাবার (বাইক নিয়ে)। বাপরে বাপ। কি সেই রোড। যাই হোক আমরা ফিরছিলাম  অন্ধাকারে – ২ পাশেই বিস্তৃত দিগন্ত – আর বিল । তার একটা ভেতর সরু রাস্তা দিয়ে। মাঝখানে একটা ব্রেক দিয়ে ২ জন চনা – বুট মুড়ি (তেল – পেয়াজ – মরিচ দিয়ে মাখানো) খেলাম। দারুন লাগলো। এই জায়গাটির বিশেশত্তত হল – এটা আমাবস্যা বা পুর্নিমা তে ভালো লাগে।

এরপর গেলাম ধর্ম সাগর পাড়। ওখানে আড্ডা চলল। পরে এলো মালেক উশা আর নাম ভুলে গেছি।

তারপর সোজা বাসায় গিয়ে রাতের খাওয়া। গরু ভুনা দারুন লাগলো। এটা আমার ২য় বার ওনার বাসায় থাকা।

২৮ মার্চ

সকালে উঠে ৯ টার দিকে আমরা বের হয়ে প্রথমে গেলাম মাত্রি ভান্ডার।

রোহিত ভাই এর অফার হাফ কেজি খেতে পারলে হাফ কেজি গিফট করবেন – কিন্তু পারলাম না। রস মালাই নিয়ে আমরা গিয়েছিলাম রাজুর গ্যারেজে। ওখানে খেলাম। অরিজিনাল জিনিসের মজাই আলাদা। অসাম টেস্ট।!!!!!

জেনে রাখুন – কুমিল্লাতে প্রচুর “মাতৃ ভান্ডার” – কিন্তু মনোহর পুর এর এই “মাতৃ ভান্ডার” ই একমাত্র শাখা। আদি ও অকৃত্রিম। আমরা ৯ঃ৩০ এর দিকে গিয়েছি। তখন মাত্র তাদের প্রথম লোড টি আন লোড হচ্ছিলো। গরম গরম। লাকিলি আমরা সহজে পেয়ে গেছি। তানাহলে এখানে বিশাল লাইন হয়ে যায় – আর দেখতে দেখতে শেষ ও হয়ে যায়।

তারপর চা খেয়ে আমি বিদায় নিয়ে হাইওয়ে তে উঠে গেলাম। আর মাঝে একটা ব্রেক দিলাম ভাটিয়ারী তে। আহ। কি দারুন মেঘে ঢাকা ছায়া ছায়া আব হাওয়া। আর বাতাস। খুব ভালো লাগছিলো। ইচ্ছে করছিলো – আবার বের হয়ে পড়ি। 😀

মনে হয় বের হয়ে পড়তাম। শুধু এবার সাথে ল্যাপটপ নেই নি। কারন জানতাম – তবে আর সহজে ফেরা হত না – আরো দূরে কোথাও চলে যেতাম অনির্দিস্ট কালের জন্য। সাথে ল্যাপটপ থাকলে যেখানে রাত – ওখানে আমি কাজ করে নেই। ফ্রিলেন্সার হওয়ার এই সুবিধা।

I’m a freelancer web developer. I can work from anywhere!

কিন্তু ফিরে আসতে হল – ট্যুর এর পর ট্যুর – আমার ৭ মাসের নতুন বিজনেস টা দেখা শোনা করার দরকার। (Sky Walker – Web Design firm) . কেউ আসতে চাইলে ইনভাইট করা থাকলো 😀 Here is the Location

যাক বৃষ্টির দিন এসে গেলো। দারুন কিছু ট্যুর হবে। গত বছর নীলগিরি যাই পুরো ঝুম ব্রিস্টিতে। আর ফিরেও আসি ব্রিস্টিতে।

চিটাং ঢুকে একটা মার্কেটে গিয়ে আগে বৌ – আর ছেলের জন্য কিছু কেনা কাটা করলাম। (যেহেতু সে বলে রেখেছে গিফট না আনলে দরজা খুলবে না 😀 ) তারপর বাসায়। অবশ্য আমি যেই শহরে যাই – চেস্টা করি কিছু না কিছু নেয়ার জন্য।

এবার প্রস্তুতির পালা – নেক্সট ট্যুর হবে ব্রিস্টিতে। !!!!

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Join 259 other followers

Contact Info

Email: black_guiter@hotmail.com Skype: hassan.tanvir1
copyright @ hassantanvir.wordpress.com 2015
%d bloggers like this: