হাসান তানভীর এর MOTO-TRAVEL ব্লগ

Its better to travel well, then to arrive – Buddha

উত্তর বঙ্গ ট্যুর (৪র্থ ও শেষ পর্ব)

১ম পর্ব

২য় পর্ব

৩য় পর্ব

হাইলাইটস

তিস্তা বেরেজ – তিস্তা নদী – পাটগ্রাম – তেতুলিয়া – পঞ্চগড় – বাংলাবান্ধা – ৩ বিঘা করিডোর – ঢাকা – পানামা সিটি –  চটগ্রাম

১০ দিন – (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ – মঙ্গলবার)

সকালে ঘুম থেকে উঠেই যা করি – ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে নেই। নাস্তা বলতে আগের রাতেই কিছু ফল টল – ডিম সিদ্ধ জুস ইত্যাদি কিনে রাখি। কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করে নেই। নাস্তা করে ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে বের হয়ে পড়ি।

প্রথমে গেলাম কারমাইকেল কলেজ। ১০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী কলেজ। বেশ বড়। ভালই লাগলো।

স্থানীয় একজন বাইকার বলে রেখেছিলাম আমাকে ঘুরিয়ে দেখাবেন – ১০ টায়। কিন্তু সময় যে নেই। তাই নিজেই ঘুরে দেখলাম। আজ ও অনেক দূর যেতে হবে। ইচ্ছে আছে আজই বাংলাবান্ধা – অর্থাৎ বাংলাদেশের উত্তর দিকের শেষ সীমান্তে চলে যাওয়া। তাই দেরি না করে দিলাম টান।

বোদা বাইপাস দিয়ে পঞ্ছগড়>তেতুলিয়া হয়ে চলে গেলাম বাংলা বান্ধা।

সমস্ত পথ গুলো যেন মাখন মেশানো পথ। সেই মজা পাচ্ছিলাম।আর বাংলা বান্ধার পথ তো হেভেনের রাস্তা।

এই ধরনের পথ গুলো যারা ঘুরে বেড়াতে ভালবাসেন বাইক নিয়ে – তাদের প্রেমির হৃদয়কে আন্দোলিত করবে যেমন ঝড় এসে গাছ কে আন্দোলিত করে ।

পৌঁছে গেলাম তখন ৪ঃ৩০ বাজে। দেখলাম বর্ডার এ বিজিবি আর বি এস এফ এর যৌথ প্যারেড হচ্ছে।

বাইক জিরো পয়েন্ট এর কাছে নিতে চাইলাম। কিন্তু অনুমতি পাওয়া গেলো না। ছবি তুললাম। ওখানে এক ধরনের মিস্টি পাওয়া যায় –  ৩০ টাকা। দারুন তার স্বাদ। ভালই লাগছিলো পরিবেশ টা। হায়রে – ইচ্ছে হচ্ছিলো বর্ডার ক্রস করে টান্তে থাকি।

যাক ঘন্টা খানেক থেকে ফেরা শুরু করলাম। এবার ঢুকলাম তেতুলিয়া দিয়ে। কিছু দূর গিয়ে একটা পথ আবার মেইন রোড এ বের হয়ে। চা বাগান গুলি খুব ই সুন্দর। ছবির মতো। এখানে আমি নদীর পাড়ের ডাক বাংলোতে যাওয়া মিস করেছি। আগে জানা ছিলো না।

যাই হোক পঞ্ছগড় এসে একটা মিস্টীর দোকানে লুচি দিয়ে রসে ভেজা মিস্টি খেলাম। ভালই স্বাদ। তারপর হোটেল খুজে পেলাম – সেন্ট্রাল হোটেল। বেশ ভাল।

চেকিং করলাম। নিচে আন্ডার গ্রাউন্ডে বাইক রেখে দিলাম। ফ্রেশ হয়ে রাতে বের হলাম ১০ টার দিকে। একটু হেটে বেড়ালাম এদিক সেদিক। ভালই লাগে নতুন কোন জায়গায় গেলে। ফেরার পথে খেয়ে নিলাম গরুর গোশত দিয়ে। ভাল।

আর কি। ব্যাক করে সেইঃ  কাজ – ডিস্কভার চ্যানেল আর পরে ঘুম।

 

১১ তম দিন (২৩ ফেব্রুয়ারি – বুধবার)

সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। রাতেই আগের মত ফল টল জুস ইত্যাদি নিয়ে রেখেছিলাম। একে তো শরীরের জন্য ভাল – ২য় হোটেলে নাস্তা করতে গেলে সময় নষ্ট হয়। হ্যাঁ। চা টা কোথাও খেয়ে নেই।

পঞ্চগড় থেকে গেলাম “ভিতরপুর প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকাতে” – কিন্তু দুঃখের বিষয় বেশ ভিতরে গিয়ে শুনলাম এটা মেইন রোড এ। আবার ব্যাক করে শুনি নাহ – আরেক টু ভেতরে গেলেই পেতাম। কিন্তু আর ব্যাক করিনি।

অনেক দূর যেতে হবে। ৩ বিঘা করিডোর।

তাই প্রথমে আসলাম বোদা> ডোমার। (জেনে রাখুন – বোদা শহরে সবচে বেশি নারী সাইক্লিস্ট আছে মনে হয়)।

ডোমার থেকে একটা পথ দেখলাম বায়ে চলে গেছে। একপাশে দির্ঘ নদীর মত পাশ দিয়ে বয়ে গেছে। জানতে পারলাম সোজা ও যেতে পারি – আবার এই পথেও যেতে পারি। এই পথেই রওনা দিলাম (কারন পথের একপাশ দিয়ে নদীর মত তিস্তা বেরেজ ছেড়ে কে যায় অন্য পথে) এবং কিছু পরেই বুঝতে পারলাম এদিক দিয়ে আসাটা কতটা ভাল হয়েছে।

এই পথ সারা ট্যুর অনেক পথের ভেতর অন্য তম। ভীষণ ভাল লেগেছে।

এই নদীর মত – এটা আসলে তিস্তা বেরেজ। স্থানীয়রা বলে “নীল সাগর” – কারন বোঝাই যায় – পানি নীল।

আমি ভীষণ মুগ্ধ হয়ে একটু পর পর বাইক থামিয়ে ছবি তুলছিলাম। পথ টার পাশ দিয়ে এই নীল সাগর সমান্ত রাল ভাবে বয়ে গেছে। কি দারুন মিতালী। মনে করিয়ে দিলো টেকনাফ যাওয়ার সেই “মেরিন ড্রাইভ” এর কথা।

এই পথ বেশ লম্বাও। পথের শেষে একটা বিশাল বট গাছের নিচে ডানে একটা পথ গেছে – আর বায়ে ব্রিজ। এখানে বসে বিশ্রাম নিলাম – খিরা খেলাম। ৩ টা বাচ্চার সাথে গল্প করল্মা। ক্ষীরা ওয়ালার সাথেও আলাপ জমিয়ে দিলাম। মন ভীষণ রকম ভালো। অথচ তখনো জানা ছিলো না এটা ডেমো। আসল জিনিস সামনে।

পরে ব্রিজ পার হয়ে দারুন একটা ২ পাশে গাছে ঢাকা পথ পাড়ি দিয়ে এক জায়গায় পৌঁছে হা হয়ে গেলাম। আরি। আসল তিস্তা নদী তো এখানে। পানি কি ভীষণ রকম নীল আর সসছ।

আমি তো আকাশে উঠে গেলাম। এতো সব জিনিস আল্লাহ্‌ দেখাচ্ছেন। আল হামদুলিল্লাহ। কত কি তিনি তৈরি করে রেখেছেন।

এত সুন্দর তিস্তা নদী – ছবি ও হার মেনে যাবে।

আমি বাইক পার্ক করে নিচে নেমে নদীর পাড়ে একটা গাছের ছায়ার বসলাম। ভীষণ ভালো লাগছিলো তিস্তার হাওয়া – পরিবেশ। বেশ কিছু বক দেখলাম মাছ ধরছে। পানি কি ভীষণ পরিষ্কার।

যাক আবার উঠে পড়ে যাত্রা শুরু। সামনে একটা গেইটের মত। ওখানে দেখলাম নদীতে বোট ভাড়া দেয়ে – প্রচুর মানুষ ঘুরতে যাচ্ছে।

 

আমি গেট পার হয়ে বায়ে তিস্তার যে মুল বেরেজ টা – তাতে উঠে পড়লাম। বিশাল বিশাল মেশিন বসানো ব্রিজের পাশ জুড়ে। এই প্রজেক্ট নাকি যমুনার আগে সবচে বড় প্রজেক্ট ছিলো বাংলাদেশের। এখানে ছবি তোলা নিষেধ হলেও কিছু তুলে ফেললাম।

যাক পার হয়ে চালাতে চালাতে প্রবেশ করলাম পাটগ্রাম এ। আরে সর্ব নাশ। এ যে দেখছি সুইযারল্যান্ডের কোন গ্রাম।

কি দারুন মসৃণ পথ – ২ পাশের প্রচুর ভুট্টা খেত (যা আগে কখনো দেখিনি) আর একটু পর পর লাল টক টকে শিমুল গাছ।

খুব মুগ্ধ হলাম। যাক ২ঃ৩০ বাজে তখন। নামাজ পরে একটা ছোট বাজার মত পেলাম। ওখানে লাঞ্চ করে নিলাম।

টার্ন নিয়ে যেতে থাকলাম ৩ বিঘা করিডোর এর দিকে।একটু জোরেই টাঞ্ছিলাম – আমি করিডোর এর পথ ফেলে আরো সামনে চলে গিয়েছিলাম। এখানে একটা ব্রিজ আছে। সেখান থেকে বায়ে যেতে হবে। ফিরে এসে আবার সেই পথ ধরলাম।

খুব ভাল একটা ধারনা ছিলো না। ৩ বিঘা করিডোর পার হয়ে গেলাম – অদ্ভুদ লাগছিলো খুব। আর ভয় ও হচ্ছিলো  না জেনে ভারতে ঢুকে যাই – আর গুলি খাই কিনা। করিডোর এর রাস্তা টা ২০০ মিটার লম্বা হবে। আর রাস্তার পাশে বসার জায়গা আছে। আর ২ পাশেই কাটা তারের বেড়া। ২ দিকেই ভারত।

 

তিনবিঘা করিডোর হল একটি স্বতন্ত্র ভূমি যা ভারতের মালিকানাধীন তিন বিঘা জায়গার মধ্যে অবস্থিত। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেঘলীগঞ্জ জেলা ও বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাতায়াতের সুবিধার্থে এটি বাংলাদেশকে ইজারার মাধ্যমে দেওয়া হয়.

বিস্তারিত উইকিপিডিয়াতে পড়ে নিতে পারেন – এখান থেকে।

করিডোর পার হয়ে সোজা টান্তে টান্তে চলে গেলাম দহগ্রাম। এই সেই গ্রাম – যার চার পাশ ভারত দিয়ে ঘেরা। আর এই গ্রামে যেতে হলে ভারত এর রাস্তা দিয়ে আপনাকে ঢুক্তে হবে। তাই ভারত – বাংলাদেশ চুক্তি করে এই ৩ বিঘা করিডোর তৈরি করে আমাদের ব্যাবহার করতে দেয়। সোজা কথায় – এই গ্রামে আসতে হবে আপনাকে ভারত পাড়ি দিয়ে আবার বাংলাদেশে ঢুকবেন – ফেরত জাওয়ার বেলায় ও তাই।

আমি এবার যখন জানলাম ব্যাপার টা – বাইক পার্ক করে হেটে গেলাম ৩ বিঘা করিডোর দিয়ে। এবার ভিডিও করতে করতে গেলাম। ভারত পার হওয়ার সময় আমার গায়ে কাটা দিয়ে উঠলো।

ভারতের রাস্তায় দেখলাম গাড়ি চলাচল করছে। ওখানে দাঁড়ানো নিষেধ।

দহগ্রাম – চার পাশে ভারত।

আবার ফিরে এসে চা খেলাম বিজিবি ক্যাম্প এর পাশে একটা দোকানে।এরপর পাশেই খুব ছোট একটা মসজিদে নামাজ পড়ে নিলাম আসর। এবার বাইক নিয়ে ব্যাক করার সময় ও ছবি নিলাম কিছু।

এরপর ফেরার পালা। ছবির মত পাটগ্রাম পার হয়ে রঙপুর এসে পউছালাম। তখন সাড়ে ৭ টা বাজে কিন্তু ঠিক করলাম নাইট রাইড করে বগুড়া চলে যাবো। কিন্তু ৪০ কিলো মত এসে আর এনার্জি পাচ্ছিলাম না। রাস্তা খালি নয়।

শঠি বাড়ী (রঙপুর এ)  একটা হোটেল পেয়ে গেলাম। আরজু। খুব দরকার ছিলো। বেস। বাইক পার্ক করে চেকিং করলাম।

 

১২ তম দিন (২৪ ফেব্রুয়ারি)

ফেরার পথে —

সকালে নাস্তা করে বের হয়ে পড়লাম। আর একটানে ঢাকা এসে পউছালাম। প্রায় ৩০০ কিলো। টাঙ্গাইল আসা পর্যন্ত রাস্তা ঠিক ই ছিলো।

তারপর?

লক্ষ লক্ষ ট্রাই আর বাসের মাঝে আমি কিভাবে যে চালাচ্ছিলাম – আল্লাহ্‌ই জানেন।

একটা পর্যায়ে – তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে। উপভোগ করা শুরু করলাম রাইড। ভেবে নিলাম এটা একটা গেম। এবং এই স্ট্রাটেজি বেশ কাজে লাগলো। ফুরফুরে ভাব নিয়েই আমি ড্রাইভ করতে লাগলাম। আরেক বাইকার পেয়ে গেলাম। ২ জন মিলে ঝুলে চালাতে লাগলাম। একবার সে লিড করে একবার আমি।

এই রাস্তায় ভুল করলে নির্ঘাত মৃত্যু। ভয়ানক এক রাস্তা। কিছু দিন আগে একজন বাইকার ভাই এই রোড এই মারা যান। আল্লাহ্‌ তাকে জান্নাত বাসি করুন।

টাঙ্গাইল বাই পাসে একটা ব্রেক দিলাম। তখন সাড়ে ৮ টা। এরপর নেক্সট ব্রেক দিলাম ১০ঃ৩০ এ। ভীষণ খিদা পেয়েছে। খেয়ে নিলাম। আল্লাহ্‌। এই পথ যে কখন শেষ হবে। কি ভীষণ জ্যাম। আবার আগানো।

রাত ১২ টায় পউছালাম ঢাকা। ওরে বাপরে বাপ। কি ঝড় যে গেলো।

সাড়ে ১২ টায় ফ্রেন্ড ফয়সাল এলো ধানমডি ১৯ এ। বাসায় চলে গেলাম।

 

১৩ তম দিন (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ – বৃহস্পতি বার)

আজ ব্যাক করার কথা চট্টগ্রাম এ। কিন্তু অনুরোধে থাকতে হলো। অবশ্য থাকাতে ভালই হয়েছে।

কিছু কাজ সেরে নিলাম। মিরপুর ২ থেকে বাইকের কিছু পার্টস কিনলাম প্রথমে। যেমন মোবাইল স্ট্যান্ড উইথ চার্জার।

এরপর সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সরোবর –  এক সময় এখানে বসে গিটার বাজাতাম – যখন ঢাকায় থাকতাম। ফয়সল ও ছিলো। ওকে বিদায় দিলাম। এরপর ধান্মন্ডী ২৭ এ গেলাম।  তখন রোহিত ভাই ফোন দিয়ে চলে এলেন। ২ জন গেলাম ধান মন্ডী ৩২ – ক্যাফে মেঙ্গোর কাছে। ফেরার পথে তিনি বিদায় নিলেন। আমি চলে গেলাম মোহাম্মদ পুর। কাজ সেরে তখন ১১ টা। ওখান থেকে ফিরে রাত ১২ টায় ফিরলাম।

১৪ তম দিন (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ – শুক্রবার)

সকালে উঠেই রওনা দিলাম চট্টগ্রাম এর উদ্দেশে। ৩০ কিলো পার হয়ে চোখে পড়লো “পানামা শহর”। ব্যাস। বাইক নিয়ে ঢুকে গেলাম।

মাঝে মাঝেই ফেবু তে ছবি দেখতাম। ঢাকাবাসী রা সহজেই আসতে পারে।

বেশ দারুন লাগলো এই প্রাচীন শহর টি। এক সময় কার বাংলার রাজধানী ছিলো। ১৩০০ সালের দিকে নির্মিত। ১৬৩০ সাল পর্যন্ত মুসলিম শাসনএ থাকে।

মোট ৫২ টি দালান আছে। আছে কিছু পরিখা আর দীঘি ও।দালান গুলোতে মুঘল ও ইউরোপের শিল্পের ছোঁয়া পাওয়া যায়।

ওখানে ফুচকা – পেয়ারা ইত্যাদি খেলাম। প্রচুর কাপল দেখলাম। আমি বেশ ভাল মতই ঘুরে দেখলাম। এমন কি দালানের পিছন দিক গুলোও।

এরপর দিঘির পাড়ে গিয়ে কিছুক্ষন বসলাম। যাক এই ট্যুর এর এটাই শেষ জায়গা।

এরপর নামাজ পড়ে (ভেতরে মসজিদ)- বাইক পার্ক যেখানে করেছিলাম – ১ টা ডাব ওয়ালা কে বলে রেখেছিলাম দেখার জন্য। এই ফেজার চোরা মিয়া নিয়ে যাক – তা চাই না। তার কাছ থেকে ১ টা ডাব খেয়ে বাইক নিয়ে ছুটলাম। ঢাকা- চিটাগং হাইওয়ে। দারুন স্পিড এ টান্তে লাগলাম। এক টানে কুমিল্লা এসে গেলাম। এখানে একটু ব্রেক দিয়ে আবার টান।

এক সময় আমার বাসায় পৌঁছে গেলাম। Home sweet home.

একদম সুস্থ অবস্থায় ফিরেছি। আর বাইক ও খুব ভাল চলেছে এবং কোথাও পড়েও নি একবার ও।

আলহামদুলিল্লাহ্‌।

ধন্যবাদ সবাইকে।

হ্যাপি বাইকিং।

হ্যাপি ট্রাভেলিং।



*(পুর্বের পর্ব গুলো না পড়ে থাকলে নিচের লিংক থেকে পড়ে নিতে পারেন।)

১ম পর্ব

২য় পর্ব

৩য় পর্ব

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Join 259 other followers

Contact Info

Email: black_guiter@hotmail.com Skype: hassan.tanvir1
copyright @ hassantanvir.wordpress.com 2015
%d bloggers like this: