হাসান তানভীর এর MOTO-TRAVEL ব্লগ

Its better to travel well, then to arrive – Buddha

উত্তর বঙ্গ ট্যুর (৩য় পর্ব)

১ম পর্ব

২য় পর্ব

৩য় পর্বঃ হাইলাইটসঃ

পাবনা – ঝিনাইদহ – বগুড়া – নাটোর

একটি পাখির মৃত্যু – এশিয়ার প্রাচীন বটগাছ – মিয়ার দালান (জমিদার বাড়ী) – রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়ী – নীল কুঠি –  প্রাচীন কিছু মসজিদ –  লালন শাহ সেতু – হার্ডিঞ্জ ব্রিজ – লালন মাজার – মহাস্থান গড় – পরশুরাম রাজার ভিটা – গোবিন্দ ভিটা – মালাই কুলফি – নাটোরের কাঁচা গোল্লা

৭ম দিন (১৯ ফেব্রুয়ারি – রবি বার)

সকালে উঠে ফিরে আসার কথা চট্টগ্রাম। ফিরে আসার জন্য পথ দিলাম। মন একটু খারাপ।  এদিকে শুনলাম বরিশালের রোড নাকি দারুন। মনে মনে টানছিল। দিবো নাকি টান? নাকি আরো বেশি…হয়ে যাবে উত্তর বঙ্গ?  যেতে যেতেই এক সময় ঠিক করে ফেলি।  যাহা ৫২ তাহাই ৬৫। দিলাম যশোরের দিকে টান। হয়ে যাক উত্তর বঙ্গ। 😀  মন ফুরফুরে হয়ে উঠলো।

পথে পড়লো রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ী।

MOTO TRAVELERS GROUP এ একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। ওখানে রোহিত ভাই এডভাইস করছিলেন ঝিনাইদহ তে প্রাচীন একটা বিশাল বট গাছ আছে – তা দেখার জন্য। রওনা দিলাম। ঝিনাই দহ মুল শহরের আগেই বারো বাজার থেকে ডানে টার্ন নিলাম। যাবো মল্লিক পুর – কালিগঞ্জে। গন গাছ গাছালিতে জোড়ানো রাস্তা। হটাত বিপত্তি।  যাবার পথে একটা দুর্ঘটনা ঘটলো।

কি যেন একটা বাইক এর সামনে দিয়ে চলে গেলো। প্রায় সাথে সাথেই কি একটা দুম করে বাড়ী খেলো।  একটা বন মৌরি (স্থানীয় রা বলে বন টিয়া) রাস্তার এক পাশ থেকে অন্য পাশে অন্য একটা পাখির সাথে উড়তে উড়তে নিচু নেমে এসেছিলো। বাড়ী খেলো বাইকের সামনের দিকে। বাইক তাড়াতাড়ি একটু সামনে থামিয়ে পেছনে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি রাস্তায় কি যে একটা নড়ছে। দ্রুত ঘুরিয়ে নিয়ে এলাম। হায়। এত সুন্দর একটা পাখি। হাতে নিলাম। একটু নড়েই সব শেষ। আর নড়ছে না। খুব মন খারাপ হয়ে গেলো…… কি সুন্দর একটা পাখি ছিলো..

img_20170219_131123104

একটা সময় ছিলো প্রচুর বই পড়তাম – কবিতাও। রঙ্গিন ছিলো সময়টা। বিশেষ একটা কবিতা সব সময় আমাকে নাড়া দিতো। জীবনানন্দ দাশের।

কবির বলা পাখিটার কস্ট টাকে যেন অনুভব করতে পারতাম…কল্পনায় দেখতে পেতাম পাখিটাকে। জীবন এগিয়ে গেলেও সেই পাখি রয়ে গেলো মনে মনে।

আর আজ জীবনের এই সময়ে এসে সেই পাখি আমার কাছেই ধরা দিলো। আর কল্পনা নয় – বাস্তব। আর চোখের সামনের তার নড়াচড়া – তার ডানা ঝেড়ে কস্ট কে মুছে ফেলাম চেস্টা…

কবিতাটা হলো :

মৃত মাংস

ডানা ভেঙে ঘুরে-ঘুরে প’ড়ে গেলো ঘাসের উপরে ;
কে তার ভেঙেছে ডানা জানে না সে ; আকাশের ঘরে

কোনদিন – কোনদিন আর তার হবে না প্রবেশ ?
জানে না সে ; কোন এক অন্ধকার হিম নিরুদ্দেশ
ঘনায় এসেছে তার ? জানে না সে, আহা,
সে যে আর পাখি নয় – রঙ নয়- খেলা নয় – তাহা

জানে না সে, ঈর্ষা নয় – হিংসা নয়- বেদনা নিয়েছে তারে কেড়ে ।
সাধ নয় – স্বপ্ন নয় – একবার দুই দানা ঝেড়ে

বেদনারে মুছে ফেলে দিতে চায় ; রূপালি বৃষ্টির গান, রৌদের আস্বাদ
মুছে যায় তার, মুছে যায় বেদনারে মুছিবার সাধ ।

― জীবনানন্দ দাশ

—-

—–

—–

—-

—-

—-

—-

—-

এখন আর কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না…………

———————-

ওখান থেকে পরে গেলাম প্রাচীন বটগাছের ওখানে। মনে হলো যেন কোন ডাইনির দলের আস্তানায় ঢুকেছি।

img_20170219_132907861

আকাশ ছোঁয়া সব বিশালাকায় বটগাছ। লম্বা লম্বা শিকড় গুলোলে মনে হচ্ছে হাত পা। মুল গাছ টা মারা গেলেও তার শেকড় থেকে ৩৫০ গাছের জন্ম হয়। ২ একর জায়গা জুড়ে বিসৃত।

img_20170219_132831323

স্থানীয় চা দোকানে কিছুক্ষন আড্ডা দিলাম লোকাল দের সাথে। ৫/৬ জন – খুব উৎসুক আমার ব্যাপারে। এমন কি পরে থাকার জন্য ও বলল।

যাই হোক ওখান থেকে (বারো বাজার থেকে ১০ কিলো) আবার ব্যাক করে বারো বাজার গিয়ে পুরনো কিছু মসজিদ দেখতে গেলাম মামুন ভাই এর পরামর্শে। ওনার বাড়ী ঝিনাই দহে। Apache RTR চালান। ওয়েব ডিজাইনার – আপ ওয়ার্কে কাজ করেন।

প্রথমে ঐতিহাসিক গোরা মসজিদ। এই মসজিদ কে করেছে জানা গেলো না। এখানে আসর পড়ে নিলাম। সম্ভবত খান জাহান আলিই করেছেন। নির্মান শৈলী তে অবশ্য কিছুটা বৈচিত্র্য পেয়েছি। কোন সাইন বোর্ড নেই। সরকার থেকে উদ্দেগ নেয়া উচিত এ ব্যাপারে। ৬০০ থেকে ১০০০ বছর আগের হতে পারে।

img_20170219_150259109

img_20170219_150013287

এখান থেকে কাছেই গেলাম গলাকাটা মসজিদ। এই শহর টার নাম ছিলো মোহাম্মদ নগর।

img_20170219_152607074

img_20170219_152723660_burst000_cover_top

যাক এখান থেকে সোজা ঝিনাই দহ শহরের মুখেই  (near fire service) মামুন ভাই অপেক্ষা করছিলাম। ওনার সাথেই এটাই আমার প্রথম দেখা। আগে অনলাইনে চেনা ছিলো।

ওখানের চা টা খুব ই অসাধারন লাগলো। এমন চা কত দিন খাইনি। যাক আরো ২ বাইকার আসলেন – কামাল ভাই, (নীল আর টি আর) তানভীর ভাই। (keyway 150cc).

প্ল্যান হলো জমিদার বাড়ী দেখতে যাবো। (মিয়ার দালান)। ৪ টা বাইকে আমরা চলে গেলাম। বেশ লাগলো কিন্তু এই জমিদার বাড়িতে । কেমন ছিলো যখন রম রমা অবস্থা ছিলো কে জানে? এখানে জানলাম এই জমিদারের ছেলে হিন্দু ছিলো – মুসলিম মেয়ে বিয়ে করে মুসলিম হবার কারনে তাকে তাজ্য করা হয়। সে পরে এখানে এই বাড়ী নির্মান করেন। বাড়ির সামনে একটা ফলকে কিছু লিখা ছিলো।। সেটা পরে দিবো। (কবে তৈরি করা ইত্যাদি)। পুরো লিখা কবিতার মত করে।

img_20170219_173058572

img_20170219_170409193

img_1471

img_1474

ছবি তোলা চলল। আমরা পেছনের দিকে একটা আতা গাছে পাকা পাকা আতা ঝুলতে দেখে আর লোভ সাম্লামতে পারলাম না। সেই রকম স্বাদ। 😀

img_20170219_172134840

img_1494

Ataa PC: Mamun Srizon

যাক এখান থেকে এবার গেলাম নীল কুঠি।

এই সেই কুঠি – যেখানে ইংরেজ রা অত্যাচার করে করে নীল চাষ করাতো। নিচে বন্দি খানা আছে। ছোট ছোট কোট্রা। জেল খানার মত শিক দেয়া। তাতে নাকি আটকে রেখে অত্যাচার করা হতো। অন্ধকার বলে ভাল ভাবে দেখা গেলো না। তবে গা শিউরে উঠলো।

nil

img_20170219_181026603

কাছেই আরেকটা জায়গা – ওখানে নীল গুলো নিয়ে শুকিয়ে ফেলা হত।

স্থানীয় এক শিক্ষকের সাথে কথা হল।। ২/১ টা বইয়ের নাম বললেন – যাতে এখানের ইতিহাস বর্নিত আছে। কিন্তু সেই বইয়ের নাম ভুলে গেছি।

যাক এখান থেকে কাছেই একটা মসজিদের মাগ্রিব নামাজ আদায় করে ১ টা টং এর দোকানে দারুন সাদের পাকোড়া খেলাম।

তারপর গেলাম স্বাদ এর সামনে। জায়গা টা নাম মনে নেই – তবে এটা সম্ভবত ঝিনাই দহর আড্ডা খানা। খুলনাতে যেমন রূপসা ব্রিজ – চট্টগ্রাম এ নেভাল ঢাকার হাউডি, সাগুফতা। প্রতি শহরেই বোধ হয় এমন কিছু জায়গা থাকে।

বেশ কিছু চা দোকান – বিরানির দোকান আছে। সবাই আসছে। ঝিনাই দহ ছোট এলাকা।

আমি একটু পর সভ্য হবার জন্য চুল কাটতে গেলাম – ফেরার পথে এশার নামাজ পড়ে আসলাম। ফিরে এসে আমরা বিরানি খেল্মা স্বাদ এ। দারুন লাগলো।

রাতে ছিলাম মামুন ভাইয়ের বাসায়। সবাই খুব ভীষণ হেল্প ফুল ও আন্তরিক।

৮ দিন  (২০ ফেব্রুয়ারি – রবিবার)

৭ টায় বের হবার কথা। ঠিক হয়েছে যাবো লালন মাজার ৪ জন ই। ওখান থেকে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পর্যন্ত ওনারা আমাকে এগিয়ে দেবেন। আমরা ২ জন রেড়ি -অন্য ২ বাইকার ভাই এলেন একটু পর মামুন ভাই এর বাসায়।  ৮ টার দিকে আমরা রওনা দিলাম।

20170220083431_img_1523

PC:Mamun Srizon

20170220083819_img_1526

প্রথমে গেলাম নাস্তা করার জন্য ইসলামি ইউনিভার্সিটি। (সবাই চাচ্ছিলো একটু ভালো জায়গায় নাস্তা করানোর জন্য – কিন্তু জানে না আমি যেখানেই হোক, কাজ চালিয়ে নিতে পারি :D) ওখানে নাস্তা করে বের হয়ে পড়লাম আমরা।

গেলাম শিলাইদহ তে রবীন্দ্র নাথের বাড়িতে। কিছুটা অফ রোড আছে। কেনো যে এরা এমন এক জায়গার রাস্তা এমন করে রেখেছে কে জানে।

গিয়ে পার্ক করলাম বাইক গুলো। বিশাল পার্কিং এলাকা। অনেক বাস এসেছে দূর দূর থেকে।  এখান থেকে ৫ মিনিট হেটে গেলাম। হায় হায়। গিয়ে দেখি রবি বার হাফ ডে। ২ টায় খুলবে। তখন বাজে ১২ টা।

Robindronaths Home at Shilaidoho. PC:Mamun Srizon

Robindronaths Home at Shilaidoho.
PC:Mamun Srizon

যাক আমরা কুলফি মালাই খেলাম। আরে বাপরে বাপ। কি তার স্বাদ। এখনো মুখে লেগে আছে। ৩০ টাকা দাম। আর চাইলে ঢাকা – চট্টগ্রাম এ নিয়ে আসবে কোন প্রগ্রামে আনতে বললে। ।তখন ৫০ টাকা করে পড়বে। দাম বেশি মনে হলেও জিনিস সেই!!!!

img_20170220_121836590

এখানে আবার আমরা বন্দুক দিয়ে বেলুন ফাটালাম অনেক্ষন।

One of the very rare pix of 1971

One of the very rare pix of 1971

তারপর একটু কফি খেয়ে চলে গেলাম লালন মাজার বা লালন একাডেমি। ওখানে এক সিশ্য এর সাথে কত ক্ষন লালন তত্ত নিয়ে কথা বললাম।

img_20170220_111709135

img_20170220_110457548_burst001

চত্তরে দেখলাম ১ তারা ২ তারা ইত্যাদি নিয়ে আসর বসেছে – গান চলছে।

বাইক যেখানে পার্ক করেছি – (মাজারের ঠিক বিপরীত দিকে)তার পাশেই বিশাল এক মাঠ। লালনের বড় একটা ফলক আছে। আর মাঠের পাশেই বড় এক দীঘি। এখানে কিছুক্ষন ছিলাম।

20170220110327_img_1549

ফিরে এসে রওনা দিলাম – যাবো লালন শা সেতু ও হার্ডিন ব্রিজ।

গিয়ে তো খুবই মুগ্ধ হয়ে গেলাম। পাশা পাশি ২ টা সেতু। বি-শা-ল বড়।

img_20170220_145429100

img_20170220_150054679

এরপর ব্রিজ এর প্রান্তে শেষ বারের মত কিছু আলাপ সালাম – ছবি তুলে বিদায় নিয়ে রওনা দিলাম। আবার আমি একা।

এবার রাজশাহি – পাবনা হাইওয়ে ধরে চলে গেলাম নাটোর। ৬০ কিলো মত হবে। বিকেল হয়ে এসেছে।

img_20170220_150554343

ভালো লাগছে –  এসেছি বনলতা সেনের শহরে।

প্রথমেই তাই খেয়ে নিলাম বিখ্যাত “কাঁচা গোল্লা”। নাম গোল্লা হলেও এটা কিন্তু গোল না। যাই হোক স্বাদ কিন্তু আহা মরি কিছু মনে হয়নি। সন্ধেশের মত। তবে আপনাদের হয়তো ভাল লাগতে পারে।

তবে রসে ডুবানো মিস্টি সেই লাগছে। স্পঞ্জ এর মত।

img_20170220_182204021

রোহিত ভাই প্রিন্স হোটেলের কথা বলছিলেন। আমি ফোন করে রেখেছিলাম। চেকিং করলাম। শাওয়ার নিয়ে ফ্রেশ হয়ে বিশ্রাম নিলাম। কাজ করলাম – আর ডিস কভারি দেখতে লাগলাম। বিয়ার রে – তুই ভাল হয়ে যা আর নিজের শু শু নিজেই খাস না। এই গুলা ভাল না।

রাতে নেমে খেয়ে নিলাম হোটেল থেকে।

খেয়ে আবার পান ও খেলাম। পান ওয়ালা আবার জিজ্জাসা করলো – ভাই কেমন?

ভালো। তবে আমাদের (চট্টগ্রাম) এর মত না। 😀

ফিরে এসে ঘুম। অনাগত দিনে যেতে হবে দূর…

৯ দিন – (২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ – সোম বার)

ফুল দেয়ার ইচ্ছে থাকলেও দেয়া হয়নি। যাই হোক —

অনেক দূর যেতে হবে। তাই নাটোর ফেরার পথে দেখবো ভেবে দিলাম টান।

চলে গেলাম বগুড়া। ওখানে প্রথমে সুন্দর বন দিয়ে ল্যাপটপ পাঠিয়ে দিলাম। আর কাজ দরকার নাই আপাতত। আর লোড ফ্রি হোয়াও দরকার ছিলো।

প্রথমে গেলাম পরশু রামের ভিটাতে। বিশাল এক প্রাচির দেয়া। আমি প্রাচির এর পাশ দিয়ে (বাহিরের দিকে) ঘেশে ঘেঁসে অনেক দূর ঘিয়ে পরে ঢুকতে পারলাম।

img_20170221_141204580

ভেতরে বিশাল এক মাঠ। মাঝ খানেই মহাস্থান গড়। বাইক নিয়েই গেলাম। সব ধ্বংসা বিশেষ আছে এখন। তখন কার দিনের পাথর গুলো এখনো দেখি আছে। লালচে ধরনের।

এখানে দেখি ঢোকার মেইন গেট। একটা কাঠের সিড়ি – সুন্দর। আর পাশেই ছোট ছোট গাছ পালার ঝোপ কেটে লিখা মহাস্থান গড়।

img_20170221_141356629

img_20170221_141923169_hdr

আমি আবার প্রাচির ঘেঁসে বের হয়ে ঘুরে মেইন গেট এ আসলাম।

img_20170221_145832072_hdr

এখান থেকে কাছেই গেলাম গোবিন্দ ভিটা।

“লাভেলো” ক্যাফে আছে।। এখানে দুপুরে খেয়ে নিলাম।

img_20170221_150728093

bike parked in front of Lovello

এরপর রওনা দিলাম। যাবো রঙপুর। বা বলতে পারেন অংপুর।

বগুড়া – রঙপুর এর রাস্তা ভালো। কিন্তু বাস গুলো ক্রেজির মত টানে। সাবধানে চালিয়ে পৌঁছে গেলাম ৭ টার বা ৮ টার দিকে।

ওখানে ১ টা হোটেলে উঠলাম। রাতে বের হয়ে খেয়ে নিলাম সামনের একটা হোটেলে।আর ১ টার দিকে হোটেলের ম্যানেজার আর কর্মচারি মিলে ম্যাপ নিয়ে বসলো। আমাকে রুট এর ব্যাপারে হেল্প করলো।

ঘুমিয়ে পড়লাম।

 ১০ দিন – (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ – মঙ্গল বার)

(চলবে…)

৪র্থ ও শেষ পর্ব

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Join 259 other followers

Contact Info

Email: black_guiter@hotmail.com Skype: hassan.tanvir1
copyright @ hassantanvir.wordpress.com 2015
%d bloggers like this: