হাসান তানভীর এর MOTO-TRAVEL ব্লগ

Its better to travel well, then to arrive – Buddha

নেপালের ভখতপুর : Cultural Gem

একজন পর্যটকের ধারন করা ভূমিকম্পের ভিডিওঃ 

নেপাল এর এই ভখত পুর যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিলো। ভীষণ খারাপ লাগলো। কারন এই জায়গাটা স্থাপথ্য কলায় ভরপুর।

Me with a friend

Me with a friend

ভখতপুর নেপালের প্রাচিন একটা নগরী। এর পরিচিতি আছে নানা নামে। ‘City of Devotees’, the ‘City of Culture’, the ‘Living Heritage’, ‘Nepal’s Cultural Gem’। 

1

ছবি গুলো দেখে হাল্কা ধারনা পাওয়া যাবে, কেনো কালচারাল জ্যাম বলা হয় ভখতপুর কে।

এটা প্রাচিন রাজাদের একটা নগরী। অনেক রাজা দের বিলাসি আর অদ্ভুদ খেয়াল থাকে। এখানেও তাই। তাই বলা যায় “ভীষণ অবাক করা” প্রচুর কিছু আছে এখানে। (এখন হয়তো ছিলো বলতে হবে) স্থাপত্যকলা, শিলপ কলায় ভরা।

130327003 3800547-Bhaktapur-Nepal--April-2009-0 Nepal_Bhaktapur_66

যেমন একটা জায়গায় দেখলাম “সাপের ঘর”। এখানে সাপ পালা হতো। সাপের নানা মূর্তি। এখানে বন্দি দের ছেড়ে দেয়া হত সাপের মাঝে।

images

আবার একটা দেখলাম “কুমারি ঘর”। এরা আজন্ম কুমারি। আমরা চেস্টা করে একজন বুদ্ধের সহযোগিতায় দেখেছিলাম। কুমারি এসে জানালায় দাড়িয়েছিলো। খুব কম সময়ের জন্য। এমন ধরনের অসংখ্য ব্যাপার সেপার।

এটা স্থাপন করেন রাজা আনন্দ মাল্লা ১২০০ সালে। এখানে ৯২% হিন্দু।  ভখতপুর গ্রেটার মাল্লা সাম্রাজ্যর রাজধানি ছিলো ১৫০০ শতাব্দি পর্জন্ত। তারপর ১৮০০ শতাব্দী পর্যন্ত স্বাধীন ছিলো। শেষ ৩ জন মাল্লা রাজা বিশেষ ভাবে অনেক কিছু করে যায়। এরপর ১৭৪৪ সালে প্রিথবি নারায়ন শাহ (গোর্খা ডাইনেস্টির জনক) নেপাল গ্রাস করতে শুরু করে।

গোর্খা কারা?

এটা নেপালের পশ্মিমে একটা গ্রাম ছিলো। তারপর এরা আক্রমন করে করে ধিরে ধিরে ওখানের আশে পাশের সব পাহাড়ি অধ্যসিত সব জায়গা (কাশ্মীর সিমান্ত থেকে ভুটান এর পশ্চিম পর্যন্ত) দখল নিতে থাকে।

যুদ্ধবাজ ফাইটার, ভয় আর মায়া দয়া হীন গোর্খা দের সাহস প্রবাদে পরিনত হয়। অনেকেই হয়ত 300 মুভিটি দেখেছেন যেখানে স্পারটা দের জুন্ধ আর সাহসিকতা দেখানো হয়। গোর্খারা হয়ত তেমন ছিলো। প্রবাদ আছে” “If a man says he is not afraid of dying, he is either lying or is a Gurkha”।

রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলে ১৮১৪ থেকে ১৮১৬ পর্যন্ত।

যাইহোক এই গোর্খারা ১৮ ইঞ্চি লম্বা একটা বিশেষ ছুরি ব্যাবহার করতো যার নাম “কুকরি”। এই ছুরি নিয়ে প্রবাদ আছে, যে এই ছুরি নিয়ে বের হলে একে “রক্ত পান” করাতে হবে। নাহলে গোরাখা রা নিজের গা কেটে একে রক্ত পান করাতো।

Gorkha kukri knife

গোর্খা দের এমন সাহসিকতা দেখে ব্রিটিশ রা তাদের আর্মি তে গোর্খা দের নিয়ে নিতে থাকে।

সেই ইতিহাস আরেকদিন হবে। সবশেষে আসলেই খারাপ লাগছে খুব – এমন এক শিম্প মন্ডিত জায়গাতে ভুমিকম্প হল। ভেঙ্গে গেলো অনেক অমুল্য কিছু। ভগতপুর এর এই জায়গাটা UNISCO WORLD HERITAGE এ স্থান পেয়েছে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Join 262 other followers

Contact Info

Email: black_guiter@hotmail.com Skype: hassan.tanvir1
copyright @ hassantanvir.wordpress.com 2015
%d bloggers like this: