হাসান তানভীর এর MOTO-TRAVEL ব্লগ

Its better to travel well, then to arrive – Buddha

ঋজুক ঝর্না (Rijuk waterfalls)

DSC03719
শীতের সকালে বাইক চালানো – এ আসলে অন্য ব্যাপার।

শুরু করি। শুক্রবার ডঙ্কা বাজাতে বাজাতে রওনা দিলাম মোটরবাইক দিয়ে। যেখানে যাওয়ার কথা ওখানে না গিয়ে মাঝপথে সিদ্ধান্ত বদলে চলে গেলাম বান্দরবন  পৌছেছি প্রায় ২.২০ তখন। তাই দেরী। প্রথমে গেলাম নীলাচল। নীলাচল না দিয়ে নীল- আঁচল দিলে আরো ভালো লাগতো।😀

DSC03703

এখানে সবাই যায়। কারন বান্দরবন শহরের ভেতরেই। নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে গ্রীষ্মকালে এখান থেকে মেঘ দেখা যায় একদম কাছে। আপনাকে ছুয়ে ছুয়ে যাবে। মেঘের সাথে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলতে চান? মেঘের উপরে চলে যেতে যান? চলে যান নীলাচল – নীলগিরি।

DSC_0601
মেঘের দেশ নীলগিরি

Nilgiri-Resort

যাই হোক, হাতে সময় আছে। আজ থাকতে হবে।  বান্দরবন ঘুরতে ঘুরতে একটা পথ পেলাম – জিজ্জাসা করে জানলাম এই পথ গেছে রইংছরি। আমার আবার নতুন পথ পেলে ঢু দেয়া অভ্যাস। চলা শুরু করতেই প্রানে সাড়া লাগলো। যেমন ভেবেছি তাই। পাহাড়ের আঁকা বাকা রোড এর দুপাশে সারি সারি গাছ পালা। অনেক্ষন চালালাম মুগ্ধ হয়ে। বাইকার দের জন্য আরো একটি পথ। দারুন।

রাত থাকলাম হিল ভিউ তে। সকাল ৭ টা কুয়াশার ভেতর রওনা দিলাম। উদ্দেশ্য রুমা বাজার হয়ে ঋজুক ঝর্না। গতবার বগা লেক গিয়েছিলাম এই রুমা বাজার দিয়েই হয়েই। y জংশন এ এসে ডানে নীলগিরির পথে না গিয়ে বায়ে রওনা দিলাম। বেশ পথ। তবে শেষের ৩ কিমি পথ অফ রোড।

DSC03724

রুমা বাজার পৌঁছে বাইক রেখে নাস্তা করে নিলাম। নদীর পাড়ে গিয়ে শুনি নৌকা শুধু হাটবার, অর্থাৎ ব্রহশ ও সোম বার ছাড়বে – ৫০ বা ১০০ টাকা মত ভাড়া। এখন নিলে ১৫০০ টাকা দিয়ে রিজার্ভ করে যেতে হবে। কস কি মমিন!  খবর নিলাম। হাটা পথে দেড়/২ ঘন্টার ট্র্যাকিং। ভালোই হল। পেটের ওপর হালকা ভুড়িটারে আজকেই সাইজ কইরা ফেলবো। গাইড নিলাম ৪০০ টাকা দিয়ে (কাজল ভাই) দিলাম রওনা।

DSC03734
ট্র্যাকিং শুরু
DSC03743
ওড়না না – রোড ঠেকাচ্ছি
DSC03748
ক্ষেতে কাজ করছি – আর আপনারা কাজের সময় ছবি তুলেন। এইসব কি?্ব

ট্র্যাকিং এর পথ টা ভালো লাগলো। পাহাড়ের মাঝে দিয়ে আঁকা বাকা পথ। মাঝে মাঝে জঙ্গল। মাঝে ৩ বার শঙ্খ নদী পার হতে হল।

মাঝে মাঝেই তামাক, ফেলু ডাল, সিম ইত্তাদির খেত। মাঝে পার হলাম মারমা দের একটা পাড়া।

vlcsnap-2014-01-11-22h02m27s204
মারমা দের একটা পাড়া।

একটা অস্থায়ি রেস্ট হাউজে পান করলাম মাটির শাঙ্কিতে রাখা পাহাড়ি ঝর্নার পানি। এত ঠান্ডা পানি আমার জীবনে খাইনি। প্রান ঠান্ডা হয়ে গেলো।  এক সময় পৌছে গেলাম।

গিয়ে যাকে বলে প্রথম দর্শনে প্রেম।

DSC03752
ওয়াও। ঐ দেখা যাচ্ছে তালগাছ – আই মিন ঋজুক ঝর্না।

বিশাল ঝর্না। এই শীতকালেও পানির তীব্রতা অনেক। বেশ বড়ই ঝর্না টা। নেমে গেলাম। খুব ই ভালো লাগলো। অবশেষে ঋজুক ঝর্না কে থলে তে পুরে ফেললাম।

DSC03766
সাবধানে পা ফেলিস মমিন
DSC03776
ঋজুক বাদশা – নবাব তানভীর খান। (এই আমার হুকা টা আন তো)

DSC03782

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

Information

This entry was posted on January 22, 2014 by in ভ্রমণ and tagged , , , , .

Join 262 other followers

Contact Info

Email: black_guiter@hotmail.com Skype: hassan.tanvir1
copyright @ hassantanvir.wordpress.com 2015
%d bloggers like this: